Sports Injuries: Early Managements

Discussions

Sports injuries are common among players or athletes. It’s also common in non-athletes. In our country patients present with various sports injuries. Most common are knee/ankle/shoulder/wrist injuries like fractures or sprains.  Early management of sports injuries plays a massive role in reducing long term morbidity. 

Common Sports Injuries

  • Muscle strain
  • Ankle sprain
  • Knee sprain
  • Shoulder dislocation
  • Wrist sprain
  • Knee Ligamentous Injuries like, Anterior Cruciate Ligament (ACL), Posterior Cruciate Ligament (PCL), Medial & Lateral Collateral Ligament, Meniscus injuries. 
  • Fractures around wrist, ankle or knee joint.

Symptoms & Signs:

  • Pain ranging from moderate to severe.
  • Swelling of affected joint or limb.
  • Color change of skin.
  • Tenderness present.
  • Temperature of affected part may increase.
  • Abnormal mobility in of affected part in case of fracture.

Early Management:

(RICE protocol)

  • Rest of the affected limb/joint.
  • Application of Ice to reduce both pain & swelling.
  • Compression to reduce/prevent swelling.
  • Elevation of the affected limb.

Painkiller like Paracetamol or NSAIDs can be taken for pain relief. Taking medication under registered physician consultancy is advised.

When to see a Doctor:

  • After Early Management an Orthopaedic Surgeon/ Physio should be consulted.
  • If Fracture is suspected.
  • For better management of sprains.
  • To assess, diagnose and proper treatment of Ligament injuries.

স্পোর্টস ইনজুরি বা খেলাধুলাজনিত আঘাত এথলেট বা পেশাদার খেলোয়াড়দের জন্য একটি সচরাচর ঘটনা হলেও অপেশাদার খেলোয়াড় বা সাধারণ জনগোষ্ঠী নানান ধরনের স্পোর্টস ইনজুরি যেমন, হাঁটু, গোড়ালি, কবজি, কাঁধ মচকানো অথবা ভেঙে যাওয়া নিয়ে চিকিৎসকের শরণাপন্ন হয়ে থাকেন। তাৎক্ষণিক এবং সঠিক প্রাথমিক চিকিৎসা দীর্ঘমেয়াদী জটিলতা কমাতে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। 

সাধারণ স্পোর্টস ইনজুরিসমূহঃ 

  • মাংসপেশীতে টান / খিচ ধরা।
  • গোড়ালি মচকানো।
  • হাঁটু মচকানো।
  • কবজি মচকানো।
  • কাঁধের হাড় সরে যাওয়া।
  • হাঁটুর লিগামেন্ট (এসিএল, পিসিএল, মেনিস্কাস, কোল্যাটেরাল) ছিঁড়ে যাওয়া।
  • হাতের কবজি, পায়ের গোড়ালি বা হাঁটুর হাড় ভেঙে যাওয়া।

আঘাতের লক্ষণসমূহঃ 

  • ব্যথা- মাঝারি থেকে তীব্র হতে পারে। 
  • আক্রান্ত জোড়া বা অঙ্গ ফুলে যাওয়া।
  • কালচে/ লাল হয়ে যাওয়া।
  • চাপে ব্যথা অনুভব করা।
  • আক্রান্ত অঙ্গের তাপমাত্রা বেড়ে যাওয়া।
  • আক্রান্ত অঙ্গের অস্বাভাবিক নড়াচড়া (ভেঙে যাওয়ার ক্ষেত্রে)

প্রাথমিক চিকিৎসাঃ

  • আক্রান্ত অঙ্গকে নড়াচড়া না করা।
  • বরফ দিয়ে সেক দেয়া 
  • চাপ দিয়ে ধরে রাখা। 
  • আক্রান্ত অঙ্গকে উঁচু করে রাখা।

ব্যথার জন্য প্যারাসিটামল বা ননস্টেরয়ডাল এন্টি-ইনফ্লামাটরি ড্রাগস ব্যবহার করা যেতে পারে, তবে যে কোন ঔষধই রেজিস্টার্ড চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী সেবন করা উচিত।

কখন অবশ্যই চিকিৎসকের পরামর্শ গ্রহণ করবেন? 

  • প্রাথমিক চিকিৎসার পরবর্তী চিকিৎসার জন্য।
  • হাড় ভেঙে গেলে।
  • জোড়া মচকে যাওয়ার সঠিক চিকিৎসার জন্য।
  • লিগামেন্ট ছিড়ে যাওয়ার সঠিক চিকিৎসার জন্য।