শিশুদের Perthe’s Diseses এর কারণ, লক্ষণ এবং প্রতিকার!

শিশুদের Perthe’s Diseses এর কারণ, লক্ষণ এবং প্রতিকার!

১২ বছর বয়েসি শিশু হঠাৎ করেই কি একটু খুঁড়িয়ে হাঁটছে? অথবা হাঁটু ব্যথা বা কুঁচকিতে ব্যথার কথা বলছে? হতে পারে আপনার শিশু Perthe’s Diseses ভুগছে।

Perthe’s Diseses কী?
এটি শিশুদের হিপ জয়েন্ট (কোমরের জোড়া) এর একটি রোগ যাতে ফিমারের হেড (উরুর হাড়ের গোল বলের মত মাথা) টি রক্ত প্রবাহে ঘাটতির কারণে ধীরে ধীরে নষ্ট হয়ে যায়। 

কাদের হয়?
সাধারণত ১০ বছরের শিশুদের মধ্যে এই রোগ দেখা যায়। মেয়ে শিশুদের তুলনায় ছেলে শিশুদের মধ্যে এই রোগের হার বেশি।

রোগের কারণ কী এবং এতে কী হয়?
জন্মগত কিংবা আঘাতজনিত কারণে এটি হতে পারে। সঠিক কারণ এখনো অজানা। তবে কম ওজনে জন্ম নেয়া শিশু, খর্বাকায় শিশু, পরোক্ষ ধূমপানের শিকার, ADHD (Attension Deficit Hyperkinetic Disorder) আক্রান্ত শিশুদের মাঝে বেশি দেখা যায়।

এই রোগে উরুর হাড়ের গোল বলের মত মাথার রক্তপ্রবাহ বাধাগ্রস্ত হয়। ধীরে ধীরে হাড় নষ্ট হয় এবং কিছু নতুন হাড় তৈরি হয়। ফলে মাথার গোল বলটির আকৃতি নষ্ট হয়ে যায়। 

লক্ষণ সমূহঃ
) খুঁড়িয়ে হাঁটা
) কুঁচকিতে বা হাঁটুতে ব্যথা
) কোমরের জয়েন্টের নড়াচড়ায় সীমাবদ্ধতা
) উরুর মাংস পেশীর দুর্বলতা

রোগনির্ণয় করা হয় কিভাবে?
শারীরিক পরীক্ষা নিরীক্ষা, এক্সরে এবং প্রয়োজনে এমআরআই এর মাধ্যমে।

চিকিৎসাঃ
চিকিৎসার প্রধান লক্ষ্য হচ্ছে ফিমারের মাথাটি যথাসম্ভব গোল রাখার জন্য চেষ্টা করা। চিকিৎসার ধরণ নির্ভর করে রোগীর বয়স, রোগের প্রকৃতি এবং রোগের বর্তমান অবস্থার উপর।
) ননসার্জিক্যালঃ ব্রেস বা স্প্লিন্ট, ফিজিওথেরাপি এবং ব্যথানাশক ঔষধ
) সার্জিক্যালঃ অস্টিওটমি  

করণীয়ঃ
আপনার নবজাতক / শিশুর মধ্যে উল্লেখিত কোন ধরণের অসংলগ্নতা পরিলক্ষিত হলে অতিদ্রুত একজন অর্থোপেডিক বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নিন।

বিশেষজ্ঞ অর্থোপেডিক সার্জনের পরামর্শ নিন

যে কোন ধরণের অর্থোপেডিক, ট্রমা, স্পোর্টস ইনজুরি, লিগামেন্ট রিকন্সট্রাকশন, জয়েন্ট রিপ্লেসমেন্ট, মেরুদণ্ডের অপারেশনের জন্য আজই আপনার বিশেষজ্ঞ অর্থোপেডিক সার্জনের পরামর্শ নিন।

কিশোর বয়সের কুচকিতে ব্যথা এবং খুঁড়িয়ে হাটা- স্লিপড ক্যাপিটাল ফিমোরাল এপিফাইসিস!

কিশোর বয়সের কুচকিতে ব্যথা এবং খুঁড়িয়ে হাটা- স্লিপড ক্যাপিটাল ফিমোরাল এপিফাইসিস!

আপনার সদ্য টিনেজ কিশোর/কিশোরী কি হাটু/কুচকিতে ব্যথার কথা বলছে এবং খুঁড়িয়ে খুঁড়িয়ে হাটছে? হতে পারে সে স্লিপড ক্যাপিটাল ফিমোরাল এপিফাইসিস সমস্যায় ভুগছে।  

স্লিপড ক্যাপিটাল ফিমোরাল এপিফাইসিস কী
উরুর হাড়ের উপরের অংশে বলের মত দেখতে মাথাটি পেল্ভিসের সকেটে বসে হিপ জয়েন্ট তৈরি করে। জন্মের পর গোল বলের মাথাটি উরুর হাড়ের সাথে সরাসরি সংযুক্ত থাকে না। এর মাঝে থাকে গ্রোথ প্লেট (যেখানে নতুন হাড় তৈরি হয়) যাকে বলা হয় ফাইসিস। এর উপরের অংশকে বলা হয় এপিফাইসিস। এই এপিফাইসিস যদি কোন কারনে পেছন দিকে সরে যায় তাহলে তাকে স্লিপড ক্যাপিটাল ফিমোরাল এপিফাইসিস। 

কাদের হয়ে থাকে
সাধারণত ১০১৪ বছর বয়সের কিশোর/কিশোরীদের হয়ে থাকে।  

কী কী কারণে হয়ে থাকে
) বয়সন্ধীকালে যখন হঠাৎ দ্রুত শারীরিক বৃদ্ধি হয়ে থাকে তখন হতে পারে। 
) যাদের পরিবারে ইতোপূর্বে এই ধরণের সমস্যা হয়েছে তাদের ঝুকি বেশি থাকে। 
) উচ্চতা অনুযায়ী অতিরিক্ত ওজন। 
) হরমোনজনিতঃ হাইপোথাইরয়েডিজম বা গ্রোথ হরমোন ঘাটতি। 

লক্ষণ সমূহঃ 
) তীব্র কুচকিতে ব্যথা  
) খুঁড়িয়ে হাঁটা/হাঁটতে না পারা 
) হাটুতে বা উরুর সামনের দিকে ব্যথা (অনেক ক্ষেত্রে কুচকি ব্যথার দুই সপ্তাহ আগে থেকে হাটুতে ব্যথা হতে পারে
) জয়েন্ট নড়াচড়া করতে কষ্ট হওয়া/না পারা 
) এক পা ছোট হয়ে যাওয়া। 

রোগ নির্ণয়ঃ 
সাধারণত শারীরিক পরীক্ষানিরীক্ষা, এক্সরে এবং প্রয়োজনে এমআরআই বা বোন স্ক্যান এর মাধ্যমে করা হয়ে থাকে। 

চিকিৎসাঃ 
অধিকাংশ ক্ষেত্রেই সার্জারি করা হয়ে থাকে। তবে কিছু ক্ষেত্রে (রোগের তীব্রতা অনুযায়ী) পূর্ণ শারীরিক বিশ্রাম এবং ঔষধের মাধ্যমে চিকিৎসা করা সম্ভব। 

যদি আপনার বয়সন্ধীকালের কিশোর/কিশোরি হঠাৎ করেই কুচকি ব্যথা, হাটতে কষ্ট হওয়া/না পারা, এক পা ছোট হয়ে যাওয়া সমস্যার কথা বলে, তাহলে আজই একজন বিশেষজ্ঞ অর্থোপেডিক সার্জনের পরামর্শ নিন। মনে রাখবেন, কখনো এই সমস্যা শুধুমাত্র হাটু কিংবা উরু ব্যথা নিয়েও প্রকাশ পেতে পারে। 

করণীয়ঃ
আপনার নবজাতক / শিশুর মধ্যে উল্লেখিত কোন ধরণের অসংলগ্নতা পরিলক্ষিত হলে অতিদ্রুত একজন অর্থোপেডিক বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নিন।

বিশেষজ্ঞ অর্থোপেডিক সার্জনের পরামর্শ নিন

যে কোন ধরণের অর্থোপেডিক, ট্রমা, স্পোর্টস ইনজুরি, লিগামেন্ট রিকন্সট্রাকশন, জয়েন্ট রিপ্লেসমেন্ট, মেরুদণ্ডের অপারেশনের জন্য আজই আপনার বিশেষজ্ঞ অর্থোপেডিক সার্জনের পরামর্শ নিন।

শিশুদের ডেভেলমেন্টাল হিপ ডিসপ্লাসিয়া (DDH) এর কারণ, লক্ষণ ও করনীয়

শিশুদের ডেভেলমেন্টাল হিপ ডিসপ্লাসিয়া (DDH) এর কারণ, লক্ষণ ও করনীয়

নবজাতকের একটি পা কি ছোট মনে হচ্ছে, অথবা শিশু একটু খুঁড়িয়ে হাঁটছে? হতে পারে আপনার শিশু/নবজাতক হিপ ডিসপ্লাসিয়াতে আক্রান্ত। 

DDH / ডেভেলপমেন্টাল ডিসপ্লাসিয়া অফ হিপ কী?
নবজাতক বা শিশুর হিপ জয়েন্ট (কোমর) এর বেশ কিছু ধরণের জন্মগত সমস্যাকে একত্রে ডেভেলপমেন্টাল ডিসপ্লাসিয়া অফ হিপ বলা হয়ে থাকে। এর মধ্যে এসিটাবুলাম এর গভীরতা কমে যাওয়া থেকে হিপ ডিসলোকেশন পর্যন্ত হতে পারে। 

কারণ এবং ঝুঁকিসমূহঃ

  • গর্ভে শিশু উল্টে থাকা
  • প্রথম শিশুদের ক্ষেত্রে 
  • মেয়ে শিশুদের ক্ষেত্রে ঝুঁকি বেশি
  • পারিবারিক/ জিনগত কারণে ঝুঁকি বাড়ে

লক্ষণসমূহঃ
নবজাতকের ক্ষেত্রেএক পা ছোট থাকা, উরুর চামড়ার ভাঁজে অসমতা, আক্রান্ত পায়ের নড়াচড়ায় সমস্যা ইত্যাদি

শিশুদের ক্ষেত্রেখুঁড়িয়ে হাঁটা, হাসের মত পা ফেলে হাঁটা, এক পায়ে বুড়ো আঙুলে ভর দিয়ে হাঁটা ইত্যাদি

রোগ নির্ণয়ঃ

  • নবজাতকের ক্ষেত্রেফিজিক্যাল এক্সামিনেশন এর মাধ্যমে 
  • মাসের কম শিশুদের ক্ষেত্রেহিপের আল্ট্রাসনোগ্রাম
  • এক্সরে হিপবড় শিশুদের ক্ষেত্রে

চিকিৎসাঃ
শিশুর বয়স, রোগের মাত্রা ইত্যাদির উপর ভিত্তি করে চিকিৎসার ধরণ নির্ধারন করা হয়। 

করণীয়ঃ
আপনার নবজাতক / শিশুর মধ্যে উল্লেখিত কোন ধরণের অসংলগ্নতা পরিলক্ষিত হলে অতিদ্রুত একজন অর্থোপেডিক বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নিন।

বিশেষজ্ঞ অর্থোপেডিক সার্জনের পরামর্শ নিন

যে কোন ধরণের অর্থোপেডিক, ট্রমা, স্পোর্টস ইনজুরি, লিগামেন্ট রিকন্সট্রাকশন, জয়েন্ট রিপ্লেসমেন্ট, মেরুদণ্ডের অপারেশনের জন্য আজই আপনার বিশেষজ্ঞ অর্থোপেডিক সার্জনের পরামর্শ নিন।

হাড় ভাঙায় প্রাথমিক করণীয়

হাড় ভাঙায় প্রাথমিক করণীয়

আমাদের দৈনন্দিন জীবনে কত ধরনের সমস্যার মুখোমুখিই তো আমরা হই। আমাদের নিজেদের বা পরিবার পরিজন বা বন্ধুদের মধ্যে হাড় ভেঙে যাওয়ার অভিজ্ঞতা হয়ত আছে। কিন্তু প্রাথমিকভাবে কি করা উচিত এই সম্পর্কে হয়ত অনেকেরই ধারণা নেই বা আংশিক ধারনা আছে। ফ্র্যাকচার ম্যানেজমেন্ট অর্থাৎ হাড় ভেঙে যাওয়ার পর প্রাথমিক করনীয় সম্পর্কে সাধারণ ধারণা আমাদের সবার থাকা উচিত।

ফ্র্যাকচার বা হাড় ভাঙা বলতে আমরা মূলত হাড়ের ভেঙে যাওয়া কে বুঝে থাকি। তবে বোনস বা হাড় এর সাথে কার্টিলেজ বা তরুণাস্থির আঘাত বা ভেঙে যাওয়াও এর অন্তর্ভুক্ত। সাধারণত ট্রমা বা আঘাত যেমন, রোড ট্রাফিক এক্সিডেন্ট, পড়ে যাওয়া, ফিজিক্যাল এসল্ট বা মারামারিতে ফ্র্যাকচার হয়ে থাকে। বয়স্ক রোগীদের অথবা অস্টীওপোরসিস/ হাড় ক্ষয়ের রোগীদের ক্ষেত্রে ট্রিভিয়াল ট্রমা বা সামান্য আঘাতেও ফ্র্যাকচার হতে পারে। একজন ফ্র্যাকচার/ট্রমার রোগীকে চিকিৎসা প্রদান শুরু করতে হয় এডভান্সড ট্রমা লাইফ সাপোর্ট বা ATLS প্রটোকলের মাধ্যমে। এটিএলএস প্রটোকলের মাধ্যমে রোগীর প্রথমিক ম্যানেজমেন্ট করার পর রোগীকে এক্সরে করা হয়। সাধারণত অধিকাংশ ফ্র্যাকচার এক্সরের মাধ্যমে বোঝা যায়। বিশেষ কিছু ক্ষেত্রে এম আর আই অথবা বোন স্ক্যান এর প্রয়োজন হতে পারে। ফ্র্যাকচার এর রোগীকে চিকিৎসা প্রদানের জন্য ফ্র্যাকচার টাইপিং বা ভেঙে যাওয়ার ধরণ নির্ধারন করতে হয়। প্রাথমিক ভাবে ফ্র্যাকচারকে দুই ভাগে ভাগ করা হয়। প্রথমত, ওপেন ফ্র্যাকচার অর্থাৎ যেখানে হাড় ভেঙে চামড়ার বাইরে চলে আসে অথবা বাইরের সাথে ভাঙার সংযোগ তৈরি হয়। দ্বিতীয়ত, ক্লোজড ফ্র্যাকচার অর্থাৎ যেখানে ভাঙা অংশের সাথে শরীরের বাইরের সংযোগ থাকে না।

ওপেন ফ্র্যাকচার সাধারণত মেজর ট্রমা যেমন রোড ট্রাফিক এক্সিডেন্ট, ভারী ধারালো অস্ত্রের আঘাত, উঁচু থেকে পড়ে যাওয়া অথবা তীব্র শারীরিক আঘাতে হতে পারে। এখানে সাধারণত wound contamination থাকে। তাই প্রাথমিক চিকিৎসা প্রদানের সময়ই পর্যাপ্ত পরিমাণে পরিষ্কার পানিতে আঘাতপ্রাপ্ত স্থান ধুয়ে ফেলতে হয়। ক্ষতের পরিমাণ এবং অবস্থা অনুয়ায়ী পরবর্তি চিকিৎসার প্ল্যান করা হয়। অল্প ক্ষত এবং কনটামিনেশনের ক্ষেত্রে প্রাইমারি ক্লোজার করা যেতে পারে এবং বোন ফিক্স করার জন্য এক্সটার্নাল ফিক্সেটর দেয়া যেতে পারে। ক্ষতের পরিমাণ যদি বড় হয় তাহলে সাধারণত এক্সটার্নাল ফিক্সেটর দিয়ে নিয়মিত ড্রেসিং এর মাধ্যমে ক্ষতের চিকিৎসা করা হয়। স্কিন ক্লোজ করা সম্ভব হলে এক্সটার্নাল ফিক্সেটর খুলে ইন্টার্নাল ফিক্সেশন করা হয়। কিছু ক্ষেত্রে স্কিন ক্লোজারের জন্য স্কিন গ্রাফটিং বা ফ্ল্যাপ কাভারেজ প্রয়োজন হতে পারে।

ক্লোজড ফ্র্যাকচার এর ক্ষেত্রে রোগীর বয়স, ভেঙে যাওয়া হাড়ের অবস্থান, আঘাতের মেয়াদ, ক্লাসিফিকেশন অনুযায়ী চিকিৎসার প্ল্যান ঠিক করা হয়। প্রাথমিভাবে আক্রান্ত অঙ্গটিকে অচল করার জন্য প্লাস্টার করা হয়। পরবর্তিতে ধরন অনুযায়ী প্লাস্টার অথবা অপারেশনের মাধ্যমে চিকিৎসা করা হয়।

মূলত হাড় ভেঙে যাওয়া রোগীদের চিকিৎসায় প্রাথমিকভাবে সবচে গুরুত্বপূর্ণ হচ্ছে রোগীর জীবন বাঁচানোর জন্য প্রাথমিক ব্যবস্থা গ্রহণ, আক্রান্ত অঙ্গকে অচল করার জন্য প্লাস্টার করা, শক্ত সাপোর্ট দেয়া অথবা পায়ের ক্ষেত্রে দুই পা একসাথে করে বেধে দেয়া যেতে পারে।। কোন অবস্থাতেই অত্যন্ত শক্ত করে চটা বাধা কিংবা অনভিজ্ঞ হাতে টাইট প্লাস্টার করা থেকে বিরত থাকতে হবে। কবিরাজি করে চটা বাধা কিংবা অত্যন্ত শক্তভাবে প্লাস্টার করার ফলে আক্রান্ত অঙ্গের স্বাভাবিক রক্ত চলাচল বন্ধ হয়ে হাত অথবা পা পচে যেতে পারে।

সঠিক চিকিৎসা গ্রহণের জন্য নিবন্ধিত চিকিৎসক কিংবা অর্থোপেডিক বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নিন। অপচিকিৎসা থেকে দূরে থাকুন। সবাই ভালো থাকুন, সুস্থ্য থাকুন।

Body Mass Index (BMI)

Body Mass Index (BMI)

Body mass index (BMI) is a widely used measure of body fat based on a person’s height and weight. It’s often used by healthcare professionals as an initial screening tool to identify potential weight problems in adults. In this article, we will explore what BMI is, how it’s calculated, what it means, and its limitations.

What is BMI?

BMI is a measure of body fat that takes into account a person’s height and weight. It is calculated by dividing a person’s weight in kilograms by their height in meters squared (BMI = kg/m²). BMI is a simple and inexpensive screening tool that can help identify individuals who may be at risk for health problems due to excess body fat.

How is BMI calculated?

BMI is calculated by dividing a person’s weight in kilograms by their height in meters squared. For example, if a person weighs 70 kilograms and is 1.75 meters tall, their BMI would be calculated as follows:

BMI = 70 / (1.75 x 1.75) = 22.86

What does BMI mean?

BMI is typically used to categorize individuals into different weight categories. The World Health Organization (WHO) uses the following categories:

  • Underweight: BMI less than 18.5
  • Normal weight: BMI between 18.5 and 24.9
  • Overweight: BMI between 25 and 29.9
  • Obesity: BMI of 30 or greater

However, it’s important to note that BMI is not a perfect measure of body fatness. It does not take into account differences in body composition, such as muscle mass, bone density, and body fat distribution. For example, athletes may have a high BMI due to their muscle mass, but they may not have a high percentage of body fat.

What are the limitations of BMI?

BMI is a useful tool for screening large populations for potential weight problems, but it has limitations when applied to individuals. Some of the limitations of BMI include:

  • It does not take into account differences in body composition, such as muscle mass, bone density, and body fat distribution.
  • It may underestimate body fat in older adults and overestimate body fat in individuals who are very muscular.
  • It may not be appropriate for certain populations, such as children, pregnant women, and individuals with certain medical conditions.

BMI কি?

BMI হল শরীরের স্থুলতার একটি পরিমাপ যা একজন ব্যক্তির উচ্চতা এবং ওজন বিবেচনা করে করা হয়। একজন ব্যক্তির ওজনকে (কিলোগ্রাম) তার উচ্চতা মিটার বর্গ (BMI = kg/m²) দ্বারা ভাগ করে এটি গণনা করা হয়। BMI একটি সহজ  স্ক্রীনিং টুল যা শরীরের অতিরিক্ত চর্বির কারণে স্বাস্থ্য সমস্যার জন্য ঝুঁকিপূর্ণ ব্যক্তিদের সনাক্ত করতে সাহায্য করতে পারে।

BMI কিভাবে গণনা করা হয়?

বিএমআই গণনা করা হয় একজন ব্যক্তির ওজনকে কিলোগ্রামে তাদের উচ্চতা মিটার বর্গ দিয়ে ভাগ করে। উদাহরণস্বরূপ, যদি একজন ব্যক্তির ওজন 70 কিলোগ্রাম হয় এবং 1.75 মিটার লম্বা হয়, তাহলে তাদের BMI নিম্নরূপ গণনা করা হবে:

BMI = 70 / (1.75 x 1.75) = 22.86

BMI এর শ্রেনীবিভাগঃ

বিএমআই বিভিন্ন ওজন বিভাগে শ্রেণীবদ্ধ করতে ব্যবহৃত হয়। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (WHO) নিম্নলিখিত বিভাগগুলি ব্যবহার করে:

কম ওজন: BMI 18.5 এর কম
স্বাভাবিক ওজন: BMI 18.5 থেকে 24.9 এর মধ্যে
অতিরিক্ত ওজন: BMI 25 থেকে 29.9 এর মধ্যে
স্থুলতা: 30 বা তার বেশি BMI

যাইহোক, এটা মনে রাখা গুরুত্বপূর্ণ যে BMI শরীরের স্থুলতার নিখুঁত পরিমাপ নয়। এটি শরীরের গঠনে পার্থক্য বিবেচনা করে না, যেমন পেশী ভর, হাড়ের ঘনত্ব এবং শরীরের চর্বির অবস্থান। উদাহরণস্বরূপ, ক্রীড়াবিদদের তাদের পেশী ভরের কারণে উচ্চ BMI থাকতে পারে, কিন্তু তাদের শরীরের চর্বি উচ্চ শতাংশ নাও থাকতে পারে।

BMI এর সীমাবদ্ধতা কি কি?

BMI সম্ভাব্য ওজন সমস্যার জন্য বৃহৎ জনসংখ্যার স্ক্রীনিং করার জন্য একটি দরকারী টুল, কিন্তু ব্যক্তিদের ক্ষেত্রে প্রয়োগ করার সময় এর সীমাবদ্ধতা রয়েছে।

এটি শরীরের গঠনে পার্থক্য বিবেচনা করে না, যেমন পেশী ভর, হাড়ের ঘনত্ব এবং শরীরের চর্বি বিতরণ।
এটি বয়স্ক প্রাপ্তবয়স্কদের শরীরের চর্বিকে অবমূল্যায়ন করতে পারে এবং খুব পেশীবহুল ব্যক্তিদের শরীরের চর্বিকে অতিরিক্ত মূল্যায়ন করতে পারে।
এটি নির্দিষ্ট জনসংখ্যার জন্য উপযুক্ত নাও হতে পারে, যেমন শিশু, গর্ভবতী মহিলা এবং কিছু নির্দিষ্ট চিকিৎসা শর্তযুক্ত ব্যক্তিদের জন্য।

BMI Calculator
Use this calculator to check your body mass index (BMI).
BMI Calculator
Height
cm.
Please enter value between 125 and 225.
Weight
kg.
Please enter value between 10.0 and 500.0 ( one decimal ).
Height
ft.
in.
Please enter value between 4.2 and 7.3
Weight
lb.
st.
Please enter value between 22.0 and 1000.0 ( one decimal ).
Calculate BMI
Use this calculator to check your body mass index (BMI), which can be a helpful tool in determining your weight category. Or, use it to calculate your child’s BMI.
Gout Diets

Gout Diets

Gout is an inflammatory condition of joints. 95% cause of gout in unknown. When Uric acid level rise in blood it may form crystals and deposited in joints. Uric acid is a metabolic end product which liberates when purin is broken down. This level in blood may rise due to increased production or decreased release via kidney. Certain foods contain high purin. In long term management of Gout, lifestyle modification like dietary modification, weight reduction, lowering alcohol consumption is important.

Foods to be avoided in Gout:
  • Red meat: beef, mutton, lamb, pork
  • Organ meat: Liver, Kidney, Pancreas 
  • Alcohol, especially beer.
  • Seafood: shellfish, anchovies, sardines etc.
  • Sugary drinks: Soda or fruit juices containing high fructose. 
Foods to Eat for Managing Gout:
  • Low-fat dairy products: Low-fat dairy products such as milk, cheese, and yogurt are excellent sources of calcium and vitamin D, which are essential for maintaining bone health. They also help reduce the risk of gout attacks.

  • Cherries: Cherries have been shown to reduce uric acid levels and inflammation, making them an excellent food for managing gout. You can eat fresh cherries or drink cherry juice.

  • Vegetables: Vegetables such as broccoli, and asparagus are high in fibre and low in purines, making them great choices for managing gout. These vegetables also contain important vitamins and minerals that help reduce inflammation.

  • Whole grains: Whole grains such as brown rice, quinoa, and whole-wheat bread are high in fiber and low in purines, making them an excellent choice for managing gout. They also provide important vitamins and minerals that help reduce inflammation.

  • Water: Drinking plenty of water helps flush out uric acid from the body, reducing the risk of gout attacks. Aim for at least 8 glasses of water per day.

 

গাউট/গেটেবাত রোগীর খাদ্যাভ্যাস 

গাউট/গেঁটেবাত জোড়ার একটি প্রদাহজনক রোগ। ৯৫% গাউটের কারণ অজানা। রক্তে ইউরিক অ্যাসিডের মাত্রা বেড়ে গেলে তা স্ফটিক তৈরি করতে পারে এবং জয়েন্টগুলোতে জমা হতে পারে। ইউরিক অ্যাসিড একটি বিপাকীয় শেষ পণ্য যা পিউরিন ভেঙে গেলে মুক্তি পায়। রক্তে এই মাত্রা বেড়ে যেতে পারে উৎপাদন বৃদ্ধি বা কিডনির মাধ্যমে নিঃসরণ কমে যাওয়ার কারণে। কিছু খাবারে উচ্চ পিউরিন থাকে। গাউটের দীর্ঘমেয়াদী ব্যবস্থাপনায়, খাদ্যাভ্যাস পরিবর্তন, ওজন হ্রাস, অ্যালকোহল সেবন কমানোর মতো জীবনধারা পরিবর্তন করা গুরুত্বপূর্ণ।

গাউট/গেঁটেবাত রোগে যেসব খাবার এড়িয়ে চলতে হবে:
  • লাল মাংস: গরুর মাংস, মাটন, ভেড়ার মাংস, শুকরের মাংস
  • অঙ্গ মাংস: লিভার, কিডনি, অগ্ন্যাশয়
  • অ্যালকোহল, বিশেষ করে বিয়ার।
  • সামুদ্রিক খাবার: শেলফিশ, অ্যাঙ্কোভিস, সার্ডিন ইত্যাদি।
  • চিনিযুক্ত পানীয়: উচ্চ ফ্রুক্টোজযুক্ত সোডা বা ফলের রস।
গাউট/গেঁটেবাত রোগে যেসব খাবার খেতে হবে:
  • কম চর্বিযুক্ত দুগ্ধজাত পণ্য: কম চর্বিযুক্ত দুগ্ধজাত পণ্য যেমন দুধ, পনির এবং দই হল ক্যালসিয়াম এবং ভিটামিন ডি-এর চমৎকার উৎস, যা হাড়ের স্বাস্থ্য বজায় রাখার জন্য অপরিহার্য। তারা গাউট আক্রমণের ঝুঁকি কমাতেও সাহায্য করে।
  • চেরি: চেরি ইউরিক অ্যাসিডের মাত্রা এবং জোড়ার প্রদাহ কমাতে সাহায্য করে গবেষণায় দেখা গেছে। আপনি তাজা চেরি খেতে পারেন বা চেরি জুস পান করতে পারেন।
  • শাকসবজি: ব্রোকলি এবং অ্যাসপারাগাসের মতো শাকসবজিতে ফাইবার বেশি এবং পিউরিনের পরিমাণ কম। এই সবজিতে গুরুত্বপূর্ণ ভিটামিন এবং খনিজ উপাদান রয়েছে যা প্রদাহ কমাতে সাহায্য করে।
  • আস্ত শস্য: গোটা শস্য যেমন বাদামী চাল, কুইনো এবং পুরো-গমের/লাল আটার রুটিতে ফাইবার বেশি এবং পিউরিন কম থাকে। তারা গুরুত্বপূর্ণ ভিটামিন এবং খনিজ সরবরাহ করে যা প্রদাহ কমাতে সাহায্য করে।
  • পানি: প্রচুর পানি পান করলে শরীর থেকে ইউরিক অ্যাসিড বের হয়ে যায়, যা গেঁটেবাত আক্রমণের ঝুঁকি কমায়। প্রতিদিন অন্তত ৮ গ্লাস পানি পান করার লক্ষ্য রাখুন।